Daily bangla news by JasHim News 24 all bd news live 24 hours in this field thanks for watching.

Saturday, June 3, 2017

পরিবর্তন কেউ না কেউ আনবে সেটা কেন তুমি নও?

Mark Zuckerberg By JasHim News
যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠান ছিল গত ২৫ মে। ঝিরিঝিরি বৃষ্টির মধ্যে ছাতা মাথায় কিংবা বর্ষাতি গায়ে দাঁড়িয়ে হার্ভার্ডের বিদায়ী শিক্ষার্থীরা শুনেছেন অনবদ্য এক বক্তৃতা। বক্তার নাম—মার্ক জাকারবার্গ। হ্যাঁ, সেই মার্ক জাকারবার্গ, যিনি হার্ভার্ড থেকে স্নাতক সম্পন্ন করতে পারেননি। নাম লিখিয়েছেন ‘ড্রপ আউট’-এর খাতায়। আজ তিনিই বিশ্বের সবচেয়ে ধনীদের মধ্যে অন্যতম। তিনি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।

আজ তোমাদের সঙ্গে থাকতে পেরে ভীষণ সম্মানিত বোধ করছি। কারণটা অকপটেই বলি, তোমরা যা অর্জন করেছ, আমি তা পারিনি। আজ যদি বক্তৃতাটা শেষ করতে পারি, সম্ভবত এই প্রথম হার্ভার্ডে কোনো কিছুর শেষ দেখা হবে (হাসি)।

২০১৭ সালের স্নাতক, অভিনন্দন!
আজ সমাবর্তন বক্তা হিসেবে আমি বেমানান—এ জন্য নয় যে আমি ড্রপ আউট হয়েছিলাম। কারণ, তোমরা আর আমি প্রায় একই প্রজন্মের প্রতিনিধি। এক দশকেরও কম সময়ের ব্যবধানে আমরা এই প্রাঙ্গণে হেঁটেছি। একই লেকচার পড়েছি। আমাদের প্রজন্ম আর আমাদের পৃথিবী থেকে আমি যা শিখেছি, সেটাই আজ বলব।
গত কয়েক দিনে পুরোনো দিনের কিছু চমৎকার স্মৃতি মনে পড়ে গেল।
তুমি হার্ভার্ডে ভর্তির সুযোগ পেয়েছ—এ খবরটা যখন জানলে, ঠিক সে মুহূর্তটা কার কার মনে আছে? আমার মনে আছে। আমি ‘সিভিলাইজেশন’ নামে একটা ভিডিও গেম খেলছিলাম। সিঁড়ি দিয়ে দৌড়ে নিচে নেমেছিলাম বাবাকে খবরটা দেওয়ার জন্য। সত্যি বলছি, সেদিনই মা-বাবা আমাকে নিয়ে সবচেয়ে বেশি গর্বিত হয়েছিলেন। যদিও দর্শকসারিতে বসা আমার মা দুদিকে মাথা নাড়ছেন...(হাসি)!
হার্ভার্ডে প্রথম লেকচার—কার কার মনে আছে? আমার ছিল ‘কম্পিউটার সায়েন্স ওয়ান টু ওয়ান’। হ্যারি লুইসের সেই অভাবনীয় ক্লাস! আমি ক্লাসে এসেছিলাম দেরি করে। তাড়াহুড়ায় উল্টো টিশার্ট পরে চলে এসেছিলাম। কেন কেউ আমার সঙ্গে কথা বলছে না, ঠিক বুঝতে পারছিলাম না। তবে হ্যাঁ, একজন কথা বলেছিল—কে এক্স জিন। সেদিন ক্লাসে আমরা একসঙ্গে ‘প্রবলেম সেট’ সমাধান করেছি। কে এক্স জিন এখন ফেসবুকের বড় একটা অংশের দেখভাল করে। অতএব ২০১৭ সালের স্নাতকেরা বুঝতেই পারছ, কেন মানুষের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করা উচিত!
হার্ভার্ডে আমার সবচেয়ে মধুর স্মৃতি হলো প্রিসিলার সঙ্গে দেখা হওয়ার মুহূর্তটি। ফেসম্যাশ নামের প্র্যাংক ওয়েবসাইট তখন মাত্রই চালু করেছি। খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিভাগ জানাল, তারা আমার সঙ্গে ‘দেখা করতে’ চায়। সবাই ধরেই নিল, আমাকে নিশ্চিত বের করে দেওয়া হবে। এমনকি আমার ব্যাগ-পত্র গোছানোতে সাহায্য করতে মা-বাবা চলে এলেন। বন্ধুরা আমার জন্য একটা বিদায়ী অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করে ফেলল। আর দেখ, কী ভাগ্য—সেই অনুষ্ঠানেই এক বন্ধুর সঙ্গে হাজির হলো প্রিসিলা! পোফহো বেলটাওয়ারের প্রসাধনকক্ষের সামনে আমাদের দুজনের দেখা। সেদিন প্রিসিলাকে আমি যা বলেছিলাম, সেটা নিশ্চয়ই অবিস্মরণীয় প্রেমের বাণীগুলোর মধ্যে স্থান পেতে পারে। আমি বলেছিলাম, ‘আগামী তিন দিনের মধ্যে আমাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হবে। অতএব, তোমার আর আমার খুব শিগগিরই একসঙ্গে বসা দরকার!’
আজ তোমরা যারা স্নাতক ডিগ্রি নিচ্ছ, এই বুদ্ধিটা তোমরাও কাজে লাগাতে পারো। প্রিয়জনকে বল, ‘আজই আমাকে বের করে দেবে; অতএব...(হাসি)।
শেষ পর্যন্ত হার্ভার্ড থেকে আমাকে বের করে দেওয়া হয়নি, আমি নিজেই বেরিয়ে গিয়েছিলাম। তত দিনে প্রিসিলা আর আমি একসঙ্গে সময় কাটাতে শুরু করেছি। ফেসবুক নিয়ে যে সিনেমাটি তৈরি হয়েছে, সেটি দেখলে মনে হয় ফেসবুক গড়ে ওঠার পেছনে ফেসম্যাশের একটা বড় অবদান ছিল। সত্যি বলতে কি, অবদানটা ততটা গুরুত্বপূর্ণও নয়। তবে হ্যাঁ, ফেসম্যাশ না থাকলে হয়তো প্রিসিলার সঙ্গে আমার দেখা হতো না। সে আমার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানুষ। সেই বিবেচনায় ক্যাম্পাসে থাকাকালীন ফেসম্যাশ আমার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার।
এই ক্যাম্পাসেই আমরা সারা জীবনের জন্য কিছু বন্ধু পেয়েছি। কেউ কেউ পেয়েছি জীবনসঙ্গীও। তাই এ জায়গাটার প্রতি আমার কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। ধন্যবাদ হার্ভার্ড।
আজ আমি জীবনের লক্ষ্য নিয়ে কথা বলতে চাই। গৎবাঁধা সমাবর্তন বক্তৃতার মতো আমি বলব না, তোমার জীবনের লক্ষ্যটা খোঁজো। আমরা একুশ শতকের তরুণ। জীবনের লক্ষ্য খোঁজার কাজটি আমাদের সহজাতভাবেই করার কথা। আমি বরং বলব, শুধু তোমার জীবনের লক্ষ্য খোঁজাই যথেষ্ট নয়। আমাদের প্রজন্মের চ্যালেঞ্জ হলো—এমন এক পৃথিবী তৈরি করা, যেখানে সবাই নিজের জীবনের লক্ষ্য নিয়ে ভাবে। জন এফ কেনেডির একটা গল্প আমার খুব প্রিয়। তিনি একবার নাসা স্পেস সেন্টারে গিয়েছিলেন। সেখানে এক পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে ঝাড়ু দিতে দেখে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, ‘তুমি কী করছ?’ লোকটা জবাব দিলেন, ‘মিস্টার প্রেসিডেন্ট, আমি একজন মানুষকে চাঁদে যেতে সাহায্য করছি।’
তোমার লক্ষ্যটা হয়তো আমার গণ্ডির চেয়েও বড়, তুমি হয়তো তোমার চেয়েও বড় একটা কিছুর অংশ। লক্ষ্যই মানুষকে সত্যিকার সুখের সন্ধান দেয়।
তোমরা এমন এক সময়ে স্নাতক সম্পন্ন করছ, যখন লক্ষ্য ব্যাপারটা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের মা-বাবা যখন স্নাতক করেছেন; তখন কর্মস্থল, গির্জা কিংবা সমাজ তাঁদের লক্ষ্য ঠিক করে দিত। কিন্তু এখন প্রযুক্তি মানুষের অনেক কাজের জায়গা দখল করে নিয়েছে। সমাজের ভূমিকা কমে যাচ্ছে। এমন অনেকেই আছেন, যাঁদের সঙ্গে তাঁদের সম্প্রদায়ের যোগাযোগ কম। তাঁরা হতাশ এবং এই শূন্যতা পূরণের চেষ্টায় ব্যস্ত।
আমি অনেক জায়গায় ঘুরেছি। কিশোর অপরাধী আর মাদকাসক্ত মানুষের সঙ্গেও কথা বলেছি। তারা আমাকে বলেছে, স্কুলের সময়টুকুর পর একটা কিছু করার থাকলে হয়তো তাঁদের জীবনটা আজ এমন হতো না। আমি কারখানার শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাঁরা জানেন—তাঁদের প্রয়োজন ফুরিয়ে আসছে; তাঁরা তাঁদের অবস্থান খুঁজছেন।
শুধু নতুন নতুন কাজের সুযোগই নয়, মানুষের সামনে নতুন নতুন লক্ষ্য দাঁড় করাতে হবে। একটা অগ্রসরমাণ সমাজ পেতে হলে আমাদের প্রজন্মের সামনে এটাই চ্যালেঞ্জ।
কার্কল্যান্ড হাউজের ছোট্ট ঘরটিতে যেদিন ফেসবুকের যাত্রা শুরু হলো, সেই রাতের কথা আমার মনে পড়ে। হার্ভার্ডের বাসিন্দাদের একসঙ্গে সংযুক্ত করতে পেরে আমি ভীষণ রোমাঞ্চিত ছিলাম। বন্ধু কে এক্সকে বলছিলাম, দেখো—একদিন কেউ একজন সারা পৃথিবীর মানুষকে সংযুক্ত করবে। ব্যাপারটা হলো, আমাদের মাথায় কখনো আসেনি যে এই কেউ একজনটা তো আমিও হতে পারি। আমরা ছিলাম কলেজপড়ুয়া বাচ্চা ছেলে। এত বিশাল কিছু সম্পর্কে আমাদের কোনো ধারণাই ছিল না। বরং আমাদের চারপাশে বড় বড় প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান ছিল। আমার স্রেফ মনে হয়েছিল, একদিন কেউ না কেউ করবে। কিন্তু একটি বিষয় আমি নিশ্চিতভাবে জানতাম, প্রতিটি মানুষ অন্যের সঙ্গে সংযুক্ত হতে চায়। অতএব, দিনের পর দিন আমরা শুধু কাজ করে গেছি।
জানি তোমাদের অনেকেরই এমন কিছু গল্প আছে। তোমরা জানো, পৃথিবীতে একটা পরিবর্তন অবশ্যম্ভাবী। তোমরা জানো, কেউ না কেউ সেই পরিবর্তনটা আনবে। সেই একজনটা কেন তুমি নও? (সংক্ষেপিত)
ইংরেজি থেকে অনুবাদ: মো. সাইফুল্লাহ
সূত্র: নিউজ ডট হার্ভার্ড ডট এডু
 BD SOURCE: PROTHOM ALO
Share:

আবারও জবাব দেবেন সাকিব?

shakib al hasan by JasHim News
লন্ডনে পড়তে আসা বাংলাদেশি তরুণ ভীষণ উত্তেজিত। ‘বাংলাদেশ এটা কী টিম নামাল? মাত্র তিনজন বোলার!’

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে মেহেদী হাসান মিরাজকে না খেলিয়ে একজন বাড়তি ব্যাটসম্যান খেলানোয় অনেক কথা হচ্ছে। তবে তিনজন কোথায়, তারপরও তো দলে চারজন বোলার ছিল। ভুলটা ধরিয়ে দেওয়ায় ওই তরুণ অবলীলায় বলে ফেললেন, ‘আপনি সাকিবকেও ধরছেন? সাকিব আর বোলার আছে নাকি!’

প্রায় ১১ বছর আগে বাংলাদেশ দলে যখন প্রথম এসেছিলেন, সাকিবের মূল পরিচয় ছিল ব্যাটসম্যান। ব্যাটসম্যান, যে বোলিংও করতে পারে। সেই সময়ে কেউ বোলার সাকিবকে নিয়ে প্রশ্ন তুললেও তুলে থাকতে পারে। কিন্তু এখন এই প্রশ্ন! যখন সাকিব টেস্ট-ওয়ানডে দুটিতেই বাংলাদেশের সফলতম বোলার। সেই কবে থেকে বয়ে আসছেন দলের বোলিং আক্রমণের ভার।

মোস্তাফিজুর রহমানের আগমনের আগ পর্যন্ত ‘বোলিংয়ে কে ম্যাচ জেতাতে পারে’ প্রশ্নের উত্তরে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হয়ে এসেছে যাঁর নাম।

শুরুতে যদি প্রশ্ন উঠেও থাকে, সেটি মুছে দিতে একদমই সময় নেননি সাকিব। উল্টো দ্রুতই অন্য একটা প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন—ব্যাটসম্যান হিসেবে তিনি বেশি ভালো না বোলার হিসেবে?

শুধু আদর্শ অলরাউন্ডারদের নিয়েই এমন সংশয় থাকে—ব্যাটিং ভালো না বোলিং ভালো! ব্যাটসম্যানের ভূমিকায় দলে জায়গা পেতে পারেন, আবার বোলারের ভূমিকায়ও—আদর্শ অলরাউন্ডারের এই পূর্বশর্তও সাকিবের মতো খুব কমজনই পূরণ করতে পেরেছেন। বছর আটেক আগে ওয়ানডে অলরাউন্ডারের র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে ওঠার পর বলতে গেলে সেটিকে বানিয়ে ফেলেছেন নিজের সম্পত্তি। সেই সাকিব কি এখন ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের সামনে দাঁড়িয়ে?

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির প্রথম ম্যাচটির পর প্রশ্নটা আরও বড় হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের স্কোরটা যে আরও বড় হয়নি, সেটির দায় নিতে হচ্ছে সাকিবকে। অথচ ঝড় তোলার জন্য কী দারুণ একটা মঞ্চই না তাঁকে তৈরি করে দিয়েছিলেন তামিম আর মুশফিক! ৪৫তম ওভারে স্কোর ৩ উইকেটে ২৬১—পাঁচ নম্বরে নামা কোনো ব্যাটসম্যানের জন্য রীতিমতো স্বপ্নের চাওয়া। অথচ সাকিব করতে পারলেন মাত্র ১০ রান। বোলিংয়ে এর চেয়েও বড় হতাশা। ৮ ওভারে ৬২ রান দিয়ে কোনো উইকেট নেই।

এক ম্যাচের পারফরম্যান্সের কারণেই সাকিবের মতো ক্রিকেটারকে নিয়ে ‘হায়-হায়’ রব তোলাটা অবশ্যই বাড়াবাড়ি। তারপরও তা উঠে যাওয়ার কারণ হতে পারে, ইংল্যান্ড ম্যাচ ছাড়িয়ে দৃষ্টিটা আরেকটু পেছনে ছড়িয়ে দিলেও সাকিবের পারফরম্যান্স ঠিক সাকিবসুলভ নয়। বাংলাদেশের পক্ষে ওয়ানডেতে সবচেয়ে বেশিবার ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন। তবে সর্বশেষটি সেই ২০১৬ সালের ২৫ সেপ্টেম্বরে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে সেই ম্যাচে ব্যাটিংয়ে ৪৮ রান করার পর বোলিংয়ে ২ উইকেট। ওই সিরিজেরই পরের ম্যাচে ৪৭ রানে ৪ উইকেট নিয়েছিলেন। এরপর যে ১৪টি ম্যাচে বোলিং করেছেন, তাতে মাত্র ১২ উইকেট। ক্যারিয়ার বোলিং গড় যেখানে ২৯.০১, এই ১৪ ম্যাচে তা ৫৬.৭৫। ওয়ানডেতে উইকেটই সব নয়, মিতব্যয়ী বোলিংয়েরও এখানে বড় মূল্য। সেখানেও চিত্রটা খুব সুখকর নয়। ক্যারিয়ারে ওভারপ্রতি রান দিয়েছেন ৪.৪০। এই ১৪ ম্যাচে ৫.৫৮। এর অনেকগুলোতেই সাকিবকে পুরো ১০ ওভার বোলিং করানো হয়নি।

সাম্প্রতিক ব্যাটিং ফর্মও খুব একটা ভালো নয়। আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজের তিন ইনিংসে সর্বোচ্চ রান ১৯। দাঁড়ান, দাঁড়ান, শ্রীলঙ্কা সফরে ঠিক আগের দুটি ইনিংসেই সাকিবের হাফ সেঞ্চুরি আছে না! সেটি দেখছি কারও মনেই নেই! ‘পাবলিক মেমোরি ইজ ভেরি শর্ট’ কথাটা তো আর এমনিই বলা হয় না। মানুষ বড় তাড়াতাড়ি সব ভুলে যায়। এই প্রবণতার সঙ্গে আগেও পরিচয় হয়েছে সাকিবের। এবার হচ্ছে আরও বেশি করে। এর আগে যতবারই এমন হয়েছে, প্রশ্ন উঠেছে সাকিবকে নিয়ে, ব্যাটে-বলেই তার জবাব দিয়েছেন। এখন যেমন বোলিং নিয়ে উঠছে, মাঝখানে তেমনি রব উঠেছিল তাঁর ব্যাটিং নিয়ে। সাকিব যেটির জবাব দিলেন নিউজিল্যান্ডে ডাবল সেঞ্চুরি করে। ওয়ানডের দ্বিতীয় সেরা আসরে ওয়ানডের সেরা অলরাউন্ডার কি আবারও তেমন কিছুই করতে যাচ্ছেন?

ব্রেন্ডন ম্যাককালামের এমনই বিশ্বাস। সাবেক নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে কমেন্ট্রি করছেন। স্কাই স্পোর্টসের সঙ্গে চুক্তির বাধ্যবাধকতার কারণে সাক্ষাৎকার দিতে পারবেন না বলে দুঃখ প্রকাশ করলেন। তবে পূর্বপরিচিত বাংলাদেশের সাংবাদিকের কাছ থেকে আইপিএলে একসময়কার কেকেআর সতীর্থের খোঁজখবর নিতে তো আর সমস্যা নেই। সাকিবের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স নিয়ে অনেক কথা হচ্ছে শুনে মৃদু হেসে বললেন, ‘আমি নিশ্চিত, ও তাড়াতাড়িই স্বরূপে ফিরে আসবে।’

সেটি কি আগামীকাল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচেই?
Share:

ভারতীয় মোনার্কের জন্য এত ব্যয় মার্কিন সেনাবাহিনীর

তাঁর বাড়ি ভারতের রাজস্থানের জয়পুরে। নাম মোনার্ক শর্মা। বর্তমানে মার্কিন সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার ইউনিটে বিজ্ঞানী হিসেবে কাজ করছেন। এ জন্য মার্কিন সেনাবাহিনী এই ভারতীয়কে বছরে ১ কোটি ২০ লাখ ভারতীয় রুপি বেতন হিসেবে দিচ্ছেন। তাঁর কাজ টেক্সাসের ফোর্ট হুডে মার্কিন সেনাবাহিনীর সদর দপ্তরে।

রাজস্থানের পুলিশ কর্মকর্তার ছেলে মোনার্ক শর্মা। ছোটবেলা থেকেই তাঁর আগ্রহ ছিল বিজ্ঞান ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বিষয়ে। জয়পুরের সি স্কিমের ভগবান মহাবীর জৈন স্কুল থেকে পড়াশোনা করেছেন শর্মা।
তাঁর বাড়ি ভারতের রাজস্থানের জয়পুরে। নাম মোনার্ক শর্মা। বর্তমানে মার্কিন সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার ইউনিটে বিজ্ঞানী হিসেবে কাজ করছেন। এ জন্য মার্কিন সেনাবাহিনী এই ভারতীয়কে বছরে ১ কোটি ২০ লাখ ভারতীয় রুপি বেতন হিসেবে দিচ্ছেন। তাঁর কাজ টেক্সাসের ফোর্ট হুডে মার্কিন সেনাবাহিনীর সদর দপ্তরে।

রাজস্থানের পুলিশ কর্মকর্তার ছেলে মোনার্ক শর্মা। ছোটবেলা থেকেই তাঁর আগ্রহ ছিল বিজ্ঞান ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বিষয়ে। জয়পুরের সি স্কিমের ভগবান মহাবীর জৈন স্কুল থেকে পড়াশোনা করেছেন শর্মা।

শর্মার কাজ হলো
টেক্সাসের ফোর্ট হুডে মার্কিন সেনাবাহিনীর সদর দপ্তরে কাজ করবেন মোনার্ক শর্মা। এর জন্য বছরে ১ কোটি ২০ লাখ রুপি বেতন হিসেবে পাবেন তিনি। সেখানে তাঁর কাজটি হলো যুদ্ধবিমানের নকশা, বিমানগুলো পরিদর্শন, উৎপাদন ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ তদারক করা।

সোনার ছেলে
মার্কিন সেনাবাহিনীর এএইচ-সিক্সটি ফোর হেলিকপ্টার ইউনিটে মোনাক শর্মাকে বিজ্ঞানী হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে।

পেছন ফিরে তাকানো
মোনার্ক শর্মা যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসায় কাজ করেছেন। ২০১৩ সাল থেকে নাসার গণযোগাযোগ বিভাগে জুনিয়র গবেষণা বিজ্ঞানী হিসেবে সাফল্য পান এই ভারতীয়।
এরপর এ বছরের মে মাসে তিনি মার্কিন সেনাবাহিনীতে হেলিকপ্টার ইউনিটে বিজ্ঞানী হিসেবে যোগ দেন। কয়েক মাসের মধ্যেই কাজ, বিভিন্ন নকশা ও গবেষণার কাজে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেন মোনার্ক শর্মা। এ জন্য তিনি ২০১৬ সালে আর্মি সার্ভিস মেডেল ও সেফটি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড নামে দুটো সম্মানজনক পুরস্কার পান।

সেরা মুহূর্ত
২০১১ সালে নাসায় ‘মুন বাগ্গি’ প্রকল্পে অংশ নেন মোনার্ক শর্মা। এর পরের বছর ‘লুনা বোট’ প্রকল্পে অংশ নেন। এগুলো তাঁর জীবনে ভাগ্যের পরিবর্তন এনে দেয়।

সেরা পারফরমার
মোনার্ক শর্মার নেতৃত্বে ‘মুন বাগ্গি’ প্রকল্প ওই বছর বিশ্বের সেরা প্রকল্পের পুরস্কার জিতে নেয়। ‘লুনা বোট’ প্রকল্পটি পঞ্চম স্থান দখল করে।

শর্মার আগ্রহ মহাকাশ বিজ্ঞানে
মোনার্ক শর্মা রাজস্থান পুলিশের অতিরিক্ত সচিব রাকেশ শর্মার ছেলে। ছোটবেলা থেকেই তাঁর আগ্রহ ছিল বিজ্ঞান ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জামে। বর্তমানে তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ভ্রমণে গিয়ে সেখানকার ছাত্র নেতৃত্বের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলছেন।

গৌরব ভারতীয়
‘আমি হয়তো ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীতে চাকরির সুযোগ পাইনি, কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আমার সব পদক্ষেপই আমার দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনবে। এখানে আমি আমার সহযোগী ভারতীয় শিক্ষার্থীদের কাছে এই বার্তা পৌঁছানোর চেষ্টা করছি, যেন সবাই কঠোর পরিশ্রম করে জীবনে সফলতা অর্জন করতে পারেন,’ বলেন শর্মা।
তথ্যসূত্র: ইকোনমিক টাইমস
BD Source: Prothomalo

Share:

ঢাকায় দ্রুত বাড়ছে উবারের ব্যবহার

এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের শহরগুলোর মধ্যে ঢাকায় উবারের ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। গত ২২ নভেম্বর ঢাকা শহরে যাত্রা শুরু করেছিল বিশ্বের অন্যতম বড় অন-ডিমান্ড রাইড-শেয়ারিং কোম্পানি উবার। গত ছয় মাসের পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করে উবার কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।
এদিকে অনলাইনভিত্তিক ট্যাক্সি সার্ভিস উবারের জন্য একটি নীতিমালার খসড়া তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এর আগে উবারকে বেআইনি আখ্যা দিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রচার করেছে।
ঢাকায় উবারের সবচেয়ে বেশি চাহিদা সকাল ৮টা থেকে ১০টা এবং সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত। এই সময়ে উবার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়েছে এয়ারপোর্ট রোড, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ও গুলশান ২ নম্বর এলাকায় যাতায়াতের জন্য। 
উবার জানিয়েছে, গত ১৮০ দিনে ঢাকায় একজন চালক একাই ট্রিপ নিয়েছেন ১ হাজার ৬৭১টি। একজন যাত্রী উবারে ট্রিপ নিয়েছেন ৩৯১টি। কর্মস্থল ও ভোরবেলায় বিমানবন্দরে যাতায়াত, গভীর রাতে বন্ধু বা পরিবারের সঙ্গে ডিনার শেষে বাসায় ফেরার সময় উবার ব্যবহার করছে মানুষ। যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকোভিত্তিক এই অনলাইন ট্রান্সপোর্টেশন নেটওয়ার্ক কোম্পানিটি গত মঙ্গলবার ঢাকায় তাদের সেবার ১৮০ দিন উদ্‌যাপন করেছে। 
ঢাকায় উবারের মহাব্যবস্থাপক অর্পিত মুন্দ্রা বলেন, বিশ্বের সবচেয়ে যানজটপূর্ণ শহরগুলোর মধ্যে ঢাকা একটি। কর্মস্থলে যাতায়াতের জন্য বিশ্বস্ত, কার্যকর ও সহজলভ্য আরও বিকল্প পরিবহনব্যবস্থার চাহিদা রয়েছে এই শহরে। বিশেষ করে যেসব রুটে গণপরিবহনব্যবস্থা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল, সেই সব জায়গায় রাইড-শেয়ারিং জরুরি।
অর্পিত মুন্দ্রা বলেন, উবারের চালকদের মধ্যে নানা ভিন্নতা দেখা গেছে। তাঁদের মধ্যে আছেন একাধিক গাড়ির মালিক। কেউ একটি গাড়ির মালিক, যাঁরা সারা দিন গাড়ি চালান। বাড়তি আয়ের জন্য টেলিকম ও ব্যাংকের চাকরিজীবীরাও তাঁদের গাড়ি যুক্ত করেছেন উবারে। এ ছাড়া বাড়তি হাতখরচের জন্য ছাত্ররাও গাড়ি চালাচ্ছেন সপ্তাহের ছুটির দিনগুলোতে।
নতুন ও উদ্ভাবনী উপায়ে যাত্রী ও চালকদের নিরাপত্তা বাড়াতে উবারের মতো প্রযুক্তিগুলো বিস্ময়কর সুযোগ করে দিচ্ছে। উবারে যখন কেউ গাড়ি ডাকেন, তখন চালক অনুরোধে সাড়া দেওয়ামাত্রই তাঁর নাম, ছবি, গাড়ির লাইন্সেস, প্লেট নম্বর ও রেটিং যাত্রীর কাছে পৌঁছে যায়। এ ছাড়া, চালক যাত্রীর নাম ও রেটিং দেখতে পারেন। গাড়ি ডাকার পর ঠিকানা বুঝতে সমস্যা হলে চালক ও যাত্রী একে অপরের সঙ্গে অ্যাপের মাধ্যমেই যোগাযোগ করতে পারছেন। এ ছাড়া কোন পথে যাচ্ছেন, যাত্রায় আনুমানিক কতটা সময় লাগবে—এসব তথ্য সহজেই জানতে পারছেন যাত্রীরা। 
উবার এমন একটি সেবা, যা ট্যাক্সিচালক ও যাত্রী উভয়েই ব্যবহার করতে পারেন। উবারের নিজস্ব কোনো ট্যাক্সিক্যাব নেই। অ্যাপল স্টোর বা গুগল প্লে স্টোর থেকে ‘উবার’ ডাউনলোড করা যায়। এরপর ই-মেইল ও ফোন নম্বর দিয়ে নিবন্ধন করতে হয় চালক ও যাত্রীকে। তারপরই তাঁরা এর সেবা নিতে পারেন। 
বিশ্বের বড় শহরগুলাোতে উবারের যাত্রা শুরু হয় ২০১০ সালে। উবার এখন চাইছে অল্প গাড়িতে বেশি মানুষ যাতায়াতের ব্যবস্থা করে শহরের যানজট ও দূষণ কমাতে।

নীতিমালা হচ্ছে
অনলাইনভিত্তিক ট্যাক্সি সার্ভিস উবারের জন্য একটি নীতিমালার খসড়া তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এটি যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত করা হবে। গতকাল সোমবার তেজগাঁওয়ে বিআরটিএর কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় সেতুমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
Share:

Friday, June 2, 2017

ট্রাম্পের ‘মুসলিম নিষিদ্ধ’ আদেশে আদালতের আবারও ‘না’

ছয়টি মুসলিম-প্রধান দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করে ডোনাল্ড ট্রাম্প যে নির্বাহী আদেশ দিয়েছিলেন, তা নিয়ে আবারও আপত্তি জানিয়েছেন আদালত।

গত বৃহস্পতিবার ভার্জিনিয়ার একটি ফেডারেল আপিল আদালত এক রায়ে ট্রাম্পের ওই নিষিদ্ধ ঘোষণা পুনর্বহাল করতে অস্বীকার করেছেন। ১০ জন বিচারকের সম্মতিতে ও ৩ জনের আপত্তিতে জারি করা রায়ে বলা হয়, ট্রাম্পের নির্দেশ মুসলমানদের প্রতি বৈষম্যমূলক। জাতীয় নিরাপত্তার জন্য এসব দেশ থেকে নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণে নিষিদ্ধ ঘোষণা জরুরি বলে ট্রাম্প প্রশাসন যে যুক্তি দেখিয়েছে, তা অত্যন্ত ধোঁয়াটে। অন্যদিকে একটি ধর্মের নাগরিকদের প্রতি তাঁর বিদ্বেষ ও অসহিষ্ণুতা এই আদেশে অত্যন্ত স্পষ্ট।
donald trump by JasHim News

নির্বাহী আদেশটির পক্ষে যুক্তি দেখিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষে বলা হয়েছিল, জাতীয় নিরাপত্তা প্রশ্নে প্রেসিডেন্টের নিরঙ্কুশ ক্ষমতা রয়েছে। অধিকাংশ বিচারকের মতামত ব্যাখ্যা করে চতুর্থ সার্কিট আপিল আদালতের বিচারক রজার গ্রেগরি জানান, জাতীয় নিরাপত্তার খাতিরে বিদেশি নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে আগমন অস্বীকার করার ক্ষমতা প্রেসিডেন্টের রয়েছে। কিন্তু এই ক্ষমতা মোটেই চূড়ান্ত বা নিরঙ্কুশ নয়। প্রেসিডেন্ট চাইলেই যা খুশি করতে পারেন না। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করা যাবে না, তা গ্রহণযোগ্য নয়। বিশেষত যখন প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্তের ফলে বিভিন্ন ব্যক্তিকে অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা আছে।

এর আগে ম্যারিল্যান্ডের একটি ফেডারেল আদালত ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের বাস্তবায়ন স্থগিত ঘোষণা করেছিলেন। সেই রায়ের বিরুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসন ভার্জিনিয়ার আপিল আদালতের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। বৃহস্পতিবারের রায়ের ফলে ম্যারিল্যান্ডের সে সিদ্ধান্ত অপরিবর্তিত রইল। ট্রাম্পের আদেশের বিরোধিতা করে সওয়াল-জবাবে অংশ নেন সিভিল লিবার্টিস ইউনিয়নের পক্ষে আইনজীবী ওমর জাদওয়াত। তিনি এক বিবৃতিতে বলেন, আদালতের এই সিদ্ধান্তের ফলে মার্কিন শাসনতন্ত্রেরই জয় হয়েছে।

উল্লেখ্য, শপথ গ্রহণের পরপর ট্রাম্প তড়িঘড়ি করে ছয়টি মুসলিম দেশের নাগরিকদের এবং সিরিয়ার উদ্বাস্তুদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। পরে আদালতের বাধার মুখে পড়লে আদেশটি পরিবর্তন করে নতুন করে জারি করা হয়। কিন্তু সে আদেশও আদালতের বিরোধিতা অতিক্রম করতে পারেনি।

আইনমন্ত্রী জেফ সেশনস জানিয়েছেন, ট্রাম্প প্রশাসন এখন এই প্রশ্নে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ প্রার্থনা করবে।
Share:
JasHim News Paper

Share:

Thursday, June 1, 2017

ঘুষের ২ লাখ টাকাসহ গ্রেফতার শিক্ষা পরিদর্শক মোস্তাফিজ কারাগারে By JasHim News

ঘুষের দুই লাখ টাকাসহ হাতেনাতে গ্রেফতার সহকারী শিক্ষা পরিদর্শক মো. মোস্তাফিজুর রহমানকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেলোয়ার হোসেন তার জামিন আবেদন নাকচ করে দিয়ে আদেশ দেন

ঘুষের ২ লাখ টাকাসহ গ্রেফতার শিক্ষা পরিদর্শক মোস্তাফিজ কারাগারে

আসামিপক্ষে সৈয়দ রেজাউর রহমান এবং দুদকের পক্ষে আইনজীবী মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর শুনানি করেন

মামলার অভিযোগে বলা হয়, মোস্তাফিজ পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলাধীন পঞ্চগ্রাম সম্মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করে বিদ্যালয়ের অনুকূলে রিপোর্ট প্রদানের লক্ষ্যে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে তিন লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশনকে অবহিত করেন এরপর সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে মোস্তাফিজুর রহমান ঘুষের টাকার প্রথম কিস্তি বাবদ দুই লাখ টাকা রাজধানীর পলওয়েল মার্কেটের সামনে এসে গ্রহণকালে দুদকের ঢাকা বিভাগীয় পরিচালক নাসিম আনোয়ারের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের একটি বিশেষ টিম মোস্তাফিজুর রহমানকে হাতে-নাতে গ্রেফতার করে


দুদকের সহকারী পরিচালক নূর--আলম বাদী হয়ে পল্টন থানায় এই মামলাটি দায়ের করেন
Share:

Facebook

Search This Blog

News Archive

Blog Archive